Saturday, September 22, 2012

লাল চা



আব্দুল কাইয়ুম | তারিখ: ২২-০৯-২০১২
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     



বিজ্ঞাপন দেখে খুব অবাক হই। সেটা ব্রিটিশ আমল থেকেই ওখানে রয়ে গেছে। তাতে
চায়ের উপকারিতা বর্ণনা করে বলা হয়েছে, চা পান করলে টাইফয়েড, বসন্ত, কলেরা,
আমাশয়সহ সব ধরনের রোগের উপশম হয়! সে যুগে ইংরেজরা বিনা পয়সায় চা
পান করিয়ে ও নানা রকম বিজ্ঞাপন দিয়ে এই বিশেষ পানীয় পানে মানুষকে
উৎসাহিত করার চেষ্টা করত। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, কলেরা-টাইফয়েড
হয়তো আটকায় না, কিন্তু চা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ও দেহের জীবকোষের
ক্ষয় রোধ করে। কোনো কোনো গবেষণা অনুযায়ী, দাঁতে পোকা ধরা রোধ, রক্তে
চিনির মাত্রা ঠিক রাখা এবং সম্ভবত হূৎপিণ্ডে রক্তবাহী ধমনি-শিরার উপকার করার
ক্ষেত্রে চা উপকারী। আমরা অনেকেই দুধ মিশিয়ে চা পান করি। সেটা কতটা ভালো?
এ নিয়ে একটি গবেষণার ফলাফল সম্প্রতি ইউরোপিয়ান হার্ট জার্নালে বেরিয়েছে।
পূর্ণ বয়স্ক ১৬ ব্যক্তিকে নিয়ে গবেষণা চালানো হয়। তাঁদের লাল-চা, দুধ-চা ও শুধু
গরম পানি পান করতে দেওয়া হয়। দেখা গেছে, লাল চায়ে ধমনির কার্যক্রম
তাৎপর্যপূর্ণভাবে বৃদ্ধি পায়, কিন্তু দুধ মেশালে চায়ের সুফল একেবারে ভোঁতা হয়ে যায়।
 গবেষকেরা বলছেন,রক্ত পরিবহনতন্ত্রের জন্য চায়ের উপকারিতার বিপরীতে কাজ
করে দুধ। এ ব্যাপারে নিউইয়র্ক টাইমস-এর বিজ্ঞান ক্রোড়পত্রের (১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১২)
মন্তব্য হলো, ‘গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী দুধ মেশালে চায়ের স্বাস্থ্যকর কিছু গুণ কমে
যেতে পারে।’এখানে স্মরণ করা যেতে পারে, কয়েক বছর আগে অপর এক গবেষণায়
দেখা গেছে, চায়ের মধ্যে ট্যানিন নামের যে উপাদান রয়েছে, তা খাদ্যনালির (গলার)
ক্যানসারের একটি কারণ হতে পারে। আর চুলায় চা পাতা ঘণ্টার পর ঘণ্টা জ্বাল দিলে
চায়ের ট্যানিন বেশি বের হয়। সাধারণ চায়ের দোকানে এ রকম করা হয়। এই চায়ে
কিছু দুধ দরকার। কারণ, দুধ চায়ের ট্যানিনকে আঁকড়ে ধরে এবং তাকে শরীরে মিশতে
দেয় না। এ জন্য বেশি জ্বালের চায়ের ক্ষেত্রে দুধ মেশালে উপকার পাওয়া যেতে
পারে। আর সাম্প্রতিক গবেষণার ফল অনুযায়ী, হালকা জ্বালের রং চা-ই স্বাস্থ্যের জন্য
ভালো।




Friday, August 3, 2012

একটি মুক্ত পাখি



free bird pic 1
এক.
ছোট্ট ছেলে সামা।
তার পরিবারের সবাই তাকে ‘লাজুক ছেলে’ বলে ডাকে, তবে এটা সত্য যে, সে ‘ছিঁচকাঁদুনে’ বালক নয় ।
ছিলো লাজুক, কিন্তু অল্প স্বল্প লাজুক না, খুব বেশি লাজুক। যদি কোন অপরিচিত আগন্তুক বা আত্মীয় তাদের বাড়ি এসে চা বা খাবার খাওয়ার সময় তার নাম নিয়ে ডাকে, সামা তার মাথা নীচু করে চোখ বন্ধ করে কয়েক মিনিটের মধ্যে রোম ত্যাগ করে ছুটে চলে যায়। তার মাতা-পিতাও তার ব্যবহারে অস্বস্তি বোধ করেন, এবং সবসময় মেহমান চলে যাওয়ার পর তাকে তিরস্কার করেন।
“তুমি আর এখন ছোট্ট খোকাটি নও! তুমি আট বছরের বালক! কেন তুমি উত্তর দিতে পার না, যখন তোমাকে কেউ কিছু জিজ্ঞেস করে?” এভাবে তার মা তার প্রতি রাগের সাথে গম্ভীর গলায় বজ্রপাত করলেন%

রেটিং করুন:
Rating: 0.0/5 (0 votes cast)
Rating: 0 (from 0 votes)
এই পোস্টের বিষয়বস্তু ও বক্তব্য একান্তই পোস্ট লেখকের নিজের, লেখার যে কোন নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব লেখকের। অনুরূপভাবে যে কোন মন্তব্যের নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মন্তব্যকারীর। শব্দনীড় ব্লগ কোন লেখা ও মন্তব্যের অনুমোদন বা অননুমোদন করে না।
▽ এই পোস্টের ব্যাপারে আপনার কোন আপত্তি আছে?

১৪ টি মন্তব্য (লেখকের ৭টি) | ৬ জন মন্তব্যকারী

  1. মুহাম্মদ সাঈদ আরমান : ১০-০৬-২০১২ | ১৯:৩৪ |
    Delete
  2. নাজমুল হুদা : ১১-০৬-২০১২ | ১২:১৪ |
    Delete
    বিদেশী গল্পের সাথে সেতুবন্ধনের এই প্রয়াস প্রশংসণীয়! গল্পটাও শিক্ষামূলক আর পরিবেশ সচেতন করে তুলবার জন্য কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। ভাষায় কোথাও কোথাও কিছু মিশ্রণ ঘটেছে, আছে কিছু টাইপো। এগুলো দূর করলে এটাকে অনবদ্য অনুবাদ বলতে যা বুঝায় তা হয়ে উঠবে।
    আপনার এ উদ্যোগের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ভাই।